Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

অত্যাধুনিক ও উন্নত আইসিইউ-এনআইসিইউ সেবা দিচ্ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

- Iqbal Hossainসবার সাধ্যের মধ্যে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবার ব্রত্য নিয়ে ১৯৯৭ সাল থেকে আধুনিক মানসম্মত ও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করে আসছে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন...
HomeLatest Trends৫০০ টাকায় আজ ঢাকার বাজার থেকে কী কী কেনা গেল? মাঠ-রিপোর্ট

৫০০ টাকায় আজ ঢাকার বাজার থেকে কী কী কেনা গেল? মাঠ-রিপোর্ট

ঢাকা: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে প্রতিদিনের বাজার খরচ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকের প্রশ্ন, বর্তমান বাজারদরে ৫০০ টাকায় কি একটি পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত সবজি কেনা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও নবোদয় এলাকার কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ঈদের পর ক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা কম হলেও সবজির দাম এখনও অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। তবে সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে কেনাকাটা করলে ৫০০ টাকার মধ্যে একাধিক ধরনের সবজি কেনা সম্ভব।

৫০০ টাকার বাজার তালিকা

মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন দোকানে ঘুরে যে দামে সবজি পাওয়া গেছে, সেই অনুযায়ী ৫০০ টাকার একটি নমুনা বাজার করা হয়েছে।

  • ১টি মাঝারি লাউ – ৫০ টাকা
  • ১ কেজি পটল – ৬০ টাকা
  • ১ কেজি শসা – ৪০ টাকা
  • ১ কেজি ধুন্দল – ৫০ টাকা
  • ৫০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ – ৪০ টাকা
  • ১ কেজি ঢেঁড়স – ৫০ টাকা
  • ১ কেজি করলা – ৬০ টাকা
  • ২ আটি লালশাক – ৩০ টাকা
  • ২ আটি পাটশাক – ৩০ টাকা
  • ১ কেজি বেগুন – ৭০ টাকা

মোট খরচ: ৪৮০ টাকা

এছাড়া অবশিষ্ট ২০ টাকা দিয়ে কয়েকটি লেবু বা অতিরিক্ত শাক কেনা সম্ভব।

বাজারে ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগের তুলনায় ৫০০ টাকায় বাজারের ব্যাগ ভরানো কঠিন হয়ে গেছে। তবে মাছ-মাংস বাদ দিয়ে শুধু সবজি কিনলে এখনও কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।”

আরেক ক্রেতা জানালেন, বাজারভেদে একই পণ্যের দামে বড় পার্থক্য দেখা যায়। তাই একাধিক দোকানে দাম যাচাই করে কেনাকাটা করলে খরচ কমানো সম্ভব।

কোন সবজির দাম তুলনামূলক কম?

বর্তমানে বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে—

  • পটল
  • শসা
  • ধুন্দল
  • লাউ
  • পাটশাক
  • লালশাক

অন্যদিকে কাঁচা মরিচ, বরবটি এবং কিছু বিশেষ জাতের সবজির দাম এখনও তুলনামূলক বেশি।

কেন বাজারে দামের পার্থক্য?

ব্যবসায়ীদের মতে, পাইকারি বাজার, পরিবহন ব্যয় এবং পণ্যের মানের ওপর নির্ভর করে দাম পরিবর্তিত হয়।

একই এলাকার মধ্যে কখনও কখনও ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যায়। ফলে সচেতনভাবে বাজার করলে মাসিক খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কতটা কার্যকর?

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন মাছ বা মাংসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত শাকসবজি খাওয়া জরুরি। তাই সীমিত বাজেটেও বিভিন্ন ধরনের সবজি কেনার চেষ্টা করা উচিত।

বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ৫০০ টাকায় একটি ছোট বা মাঝারি পরিবারের জন্য ৩ থেকে ৫ দিনের সবজি কেনা সম্ভব। তবে পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে এই খরচ আরও বাড়তে পারে।

সামনে দাম কমার সম্ভাবনা আছে?

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে সরবরাহ বাড়লে কিছু মৌসুমি সবজির দাম আরও কমতে পারে। বিশেষ করে পটল, শসা, ধুন্দল ও লাউয়ের বাজারে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে।

তবে কাঁচা মরিচ ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

সব মিলিয়ে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ৫০০ টাকায় এখনও একটি ভালো সবজির বাজার করা সম্ভব। তবে এজন্য দরকার সচেতনতা, দামের তুলনা এবং মৌসুমি পণ্য বেছে নেওয়ার অভ্যাস।